নিয়মিত হিফাজতের আমল
সকাল ও সন্ধ্যায় মাসনূন দোয়াগুলো পড়া, ৫ ওয়াক্ত সালাত জামাতে আদায় করা এবং সবসময় অজু অবস্থায় থাকার চেষ্টা করা। যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যার আমলগুলো ঠিকমতো করে, শয়তান তার কোনো ক্ষতি করতে পারে না।
ঘরে সূরা বাকারা তিলাওয়াত
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'তোমরা নিজেদের ঘরকে কবরস্থানে পরিণত করো না। নিশ্চয়ই শয়তান ওই ঘর থেকে পালিয়ে যায়, যে ঘরে সূরা বাকারা তিলাওয়াত করা হয়।' (সহিহ মুসলিম)। তাই ঘরে নিয়মিত সূরা বাকারা তিলাওয়াত করুন অথবা অ্যাপের অডিও সেকশন থেকে অন্তত প্লে করে রাখুন।
ঘুমানোর আগের রুকইয়াহ
রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসি পড়লে সারারাত একজন ফেরেশতা পাহারাদার হিসেবে নিযুক্ত থাকে এবং শয়তান কাছে আসতে পারে না। এছাড়া তিন কুল (ইখলাস, ফালাক, নাস) পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীর মুছে ঘুমানো সুন্নাহ।
রুকইয়াহ করার পদ্ধতি
যদি কোনো সমস্যা অনুভব করেন, তবে সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি এবং তিন কুল তিলাওয়াত করে পানিতে ফুঁ দিন এবং পান করুন। এছাড়া অলিভ অয়েল বা কালোজিরার তেলে ফুঁ দিয়ে তা পুরো শরীরে মালিশ করতে পারেন।
কখন অন্যের সাহায্য নেবেন?
যদি রোগীর অবস্থা এমন হয় যে সে নিজে তিলাওয়াত করতে পারছে না বা অস্বাভাবিক আচরণ করছে, তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা তার ওপর পড়ে ফুঁ দেবেন। প্রয়োজনে কোনো নেককার ও পরহেজগার আলেমের পরামর্শ নিতে পারেন।