১. আল্লাহর ওপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল
রুকইয়াহর সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো তাওয়াক্কুল বা আল্লাহর ওপর ভরসা। এই দৃঢ় বিশ্বাস থাকতে হবে যে, আল্লাহ ছাড়া কেউ সুস্থতা দিতে পারে না। কুরআনের আয়াত বা দোয়াগুলো হলো সুস্থতা লাভের মাধ্যম মাত্র। আরোগ্য দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ।
২. হালাল রিযিক ও তাওবা
দোয়া কবুলের অন্যতম শর্ত হলো হালাল উপার্জন এবং হালাল খাবার গ্রহণ করা। রুকইয়াহ শুরু করার আগে নিজের অতীতের গুনাহগুলোর জন্য আন্তরিকভাবে তাওবা করা উচিত। গুনাহের কারণে অনেক সময় রহমত ও বরকত আটকে থাকে।
৩. ফরজ ইবাদতে যত্নবান হওয়া
পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সময়মতো আদায় করা রুকইয়াহর পূর্বশর্ত। যে ব্যক্তি ফরজ ইবাদতে অবহেলা করে, তার জন্য রুকইয়াহ পুরোপুরি কার্যকর নাও হতে পারে। বিশেষ করে ফজর ও আসরের সালাতের প্রতি বিশেষ যত্নবান হতে হবে।
৪. ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা
অসুস্থতা অনেক সময় দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। তাই রুকইয়াহ শুরু করেই সাথে সাথে জাদুর মতো ফলাফল আশা করা ঠিক নয়। ধৈর্য ধরতে হবে এবং ধারাবাহিকভাবে রুকইয়াহ চালিয়ে যেতে হবে। হতাশ হয়ে রুকইয়াহ ছেড়ে দেওয়া শয়তানের একটি বড় ধোঁকা।